Skip to content
আমাদের মূল্যবোধ · 1 মিনিটের পাঠ

বাকস্বাধীনতা

অস্ট্রেলীয় মূল্যবোধ আসল পরীক্ষায় মূল্যবোধের প্রতিটি প্রশ্ন সঠিক হতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ার মানুষ আইনের সীমার মধ্যে থেকে স্বাধীনভাবে তাদের মত প্রকাশ করতে পারা উচিত। অস্ট্রেলিয়ায় মানুষ সামাজিক বা রাজনৈতিক আলোচনার জন্য প্রকাশ্য বা ব্যক্তিগত স্থানে মিলিত হতে স্বাধীন। মানুষ যেকোনো বিষয়ে যা ভাবে তা বলতে ও লিখতে এবং অন্যদের সঙ্গে তাদের ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতেও স্বাধীন। সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও রেডিও প্রতিষ্ঠানেরও একই স্বাধীনতা রয়েছে।

অস্ট্রেলীয়রা সরকারের কাজের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে পারেন, কারণ শান্তিপূর্ণ জনসাধারণের প্রতিবাদ সহ্য করা গণতন্ত্রের একটি অপরিহার্য অংশ।

অন্য কোনো ব্যক্তি বা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে (যেমন তাদের সংস্কৃতি, জাতিগত পরিচয়, ধর্ম বা পটভূমির কারণে) সহিংসতাকে উৎসাহিত করা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ তা অস্ট্রেলীয় মূল্যবোধ ও আইনের বিরুদ্ধে। মিথ্যা অভিযোগ করা বা অন্যদের আইন ভাঙতে উৎসাহ দেওয়াও বেআইনি। অন্য মানুষের বাক্‌স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করতে হবে, যতক্ষণ সেই প্রকাশ আইনসম্মত।

এই বিষয়ে নিজেকে পরীক্ষা করুন

8 এই বিষয়ে প্রশ্ন, প্রতিটি উত্তরের ব্যাখ্যা সহ।

    • ভাবনা কেবল নিজের বাড়ির ভেতরেই স্বাধীনভাবে প্রকাশ করা যায়
    • ভাবনা কেবল অ-রাজনৈতিক বিষয়েই স্বাধীনভাবে প্রকাশ করা যায়
    • ভাবনা কেবল অস্ট্রেলীয় নাগরিকরাই স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারেন
    • ভাবনা স্বাধীনভাবে প্রকাশ করা যায়, যতক্ষণ তা আইনের সীমার মধ্যে থাকে

    ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়ায় বাকস্বাধীনতা বিস্তৃত, কিন্তু আইন যেখানে থামায় সেখানেই তা থেমে যায়।

    • হ্যাঁ, মানুষ রাজনীতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রকাশ্যে বা ব্যক্তিগতভাবে মিলিত হতে পারেন
    • কেবল যদি পার্লামেন্টের কোনও সদস্য সভায় থাকতে রাজি হন
    • না, রাজনৈতিক সভার জন্য সরকারের অনুমতি লাগে
    • কেবল যদি দলটি কোনও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা সম্পূর্ণ এড়িয়ে যায়

    ব্যাখ্যা: সামাজিক বা রাজনৈতিক বিষয়ে কথা বলার জন্য মানুষ প্রকাশ্য বা ব্যক্তিগত জায়গায় জড়ো হতে পারেন।

    • দাবি করা যে তাঁরা আপনার বাড়ির কাছে রাজনীতি নিয়ে আলোচনা বন্ধ করুন
    • তাঁদের মতামত পুলিশকে জানানো যাতে তা নথিভুক্ত হয়
    • তাঁদের বাকস্বাধীনতাকে সম্মান করা, কারণ তাঁদের প্রকাশ আইনসম্মত
    • জোর দিয়ে বলা যে তাঁরা নিজেদের মত বদলে আপনার মতের সঙ্গে মেলান

    ব্যাখ্যা: বাকস্বাধীনতা সবার। আপনি তীব্রভাবে দ্বিমত হলেও আইনসম্মত মতামতকে সম্মান করতে হবে।

    • গণমাধ্যমের ব্যক্তিমানুষের মতোই একই বাকস্বাধীনতা আছে
    • গণমাধ্যম কেবল অ-রাজনৈতিক বিষয় নিয়েই আলোচনা করতে পারে
    • সম্প্রচারের আগে গণমাধ্যমকে সরকারি অনুমোদন নিতে হয়
    • গণমাধ্যম তথ্য জানাতে পারে কিন্তু মতামত দিতে পারে না

    ব্যাখ্যা: গণমাধ্যম ব্যক্তিমানুষের মতোই একই বাকস্বাধীনতা ভোগ করে, তাই তারা স্বাধীনভাবে সংবাদ ও মতামত দিতে পারে।

    • কয়েক দিন পর পোস্টটি মুছে ফেললে এটি গ্রহণযোগ্য
    • কোনও গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতা উৎসাহিত করা কখনওই গ্রহণযোগ্য নয়
    • কোনও ব্যক্তিগত গ্রুপে লেখা হলে এটি গ্রহণযোগ্য
    • এটি গ্রহণযোগ্য, কারণ বাকস্বাধীনতা সব মতামতকেই ঢাকে

    ব্যাখ্যা: মানুষের পরিচয়ের কারণে তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ডাক বাকস্বাধীনতা কখনওই ঢাকে না।

    • একজন মন্ত্রীর সমালোচনা করে নিবন্ধ লেখা
    • অন্য মানুষকে আইন ভাঙতে উৎসাহিত করা
    • অন্য কারও সম্পর্কে মিথ্যা অভিযোগ করা
    • নতুন নীতি নিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দেওয়া

    ব্যাখ্যা: যে কথা মিথ্যা অভিযোগ ছড়ায় বা অন্যদের আইন ভাঙতে ঠেলে দেয়, তা নিজেই আইনবিরুদ্ধ।

    • আপনি শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে পারেন, কারণ এটি গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য
    • আপনি কেবল তখনই প্রতিবাদ করতে পারেন যদি কোনও রাজনৈতিক দল মিছিলের আয়োজন করে
    • আপনি কেবল স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রতিবাদ করতে পারেন
    • অস্ট্রেলিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা অনুমোদিত নয়

    ব্যাখ্যা: সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ অনুমোদিত এবং তা সুস্থ গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখা হয়।

    • কেবল যদি কোনও সরকারি দপ্তর আগে লেখাটি অনুমোদন করে
    • হ্যাঁ, মানুষ যে কোনও বিষয়ে নিজের ভাবনা লিখতে স্বাধীন
    • না, অস্ট্রেলিয়ায় মন্ত্রীদের সমালোচনা অনুমোদিত নয়
    • কেবল যদি আপনি এক বছর ধরে অস্ট্রেলীয় নাগরিক হয়ে থাকেন

    ব্যাখ্যা: অস্ট্রেলিয়ার মানুষ যে কোনও বিষয়ে লিখতে ও বলতে পারেন, ক্ষমতাসীনদের সমালোচনাও এর মধ্যে পড়ে।

সরকারি পুস্তিকা Australian Citizenship: Our Common Bond থেকে